1. mr.milonctg@gmail.com : BD CLICK : ✍ BD Click । বিডি ক্লিক
  2. egor9@lotofkning.com : arnulfox25 :
  3. mst.asmactg@gmail.com : Asma : ✍ আসমা উল হুসনা
  4. egor19@lotofkning.com : cecelia13n :
  5. deshernewsbd@gmail.com : Desher News : ✍ দেশর নিউজ
  6. admin@gmail.com : ✍ ইলিয়াস হাওলার : ✍ ইলিয়াস হাওলাদার
  7. mailtonewsface@gmail.com : Hasan Rifat : ✍ মোঃ হাসান রিফাত
  8. stephaniawilla@nestmoon.com : jacquesfzu :
  9. kamrulhasan27272@gmail.com : Kamrul Hasan : ✍ কামরুল হাসান খোকন
  10. mostafizurwm21@gmail.com : Md Mostafizur Rahman : ✍ মোস্তাফিজুর রহমান
  11. bdclickxyz@gmail.com : Milon : ✍ মাহাবুর হাসান মিলন
  12. jannstephany@kogobee.com : mitchellguercio :
  13. cataclysmtheory@gmail.com : Muhammad Shamsul Huq Babu : ✍ মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু
  14. mirzahmn@gmail.com : ✍ মির্জা মুহাম্মদ নূরুন্নবী নূর : ✍ মির্জা মুহাম্মদ নূরুন্নবী নূর
  15. egor3@lotofkning.com : rachellehallock :
  16. Saroarhossen314@gmail.com : ✍ মোঃ সরোয়ার হোসেন : ✍ মোঃ সরোয়ার হোসেন
  17. abantorkahini@gmail.com : Md Shahin Alam : ✍ মোঃ শাহিন আলম
  18. joymahmud89@gmail.com : Shawon : ✍ শাওন
  19. Kbirulmd@gmail.com : ✍ কবিরুল ইসলাম কবির : ✍ কবিরুল ইসলাম কবির
  20. tauhidulislam4524@gmail.com : Tauhidul Islam Nuhash : ✍ তৌহিদুল ইসলাম নুহাশ
  21. topexpressctg@gmail.com : Top Express : ✍ টপ এক্সপ্রেস
✍ তৌহিদুল ইসলাম নুহাশ
  • ২ মাস আগে
  • ২০৯
কেন সেই শিল্পীর কাটা আঙুল খুঁজে পেতে চাই?

বাংলার প্রাচীন ও গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা চিন্তা করলে যে নামটি মাথায় আসে তা হচ্ছে, “মসলিন”। বাংলায় বস্ত্র শিল্পের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। মোঘল আমলে বাংলার রাজধানী ঢাকায় অতি সূক্ষ্ম ও মিহি এক ধরনের কাপড় তৈরি হতো, যা বিশ্বজুড়ে মসলিন নামে সু-পরিচিত ছিল। মসলিন তৎকালীন সমাজে উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে মুগল সাম্রাজ্যের সম্রাটদের অন্যতম পছন্দের পোশাক ছিল। এমনকি উপমহাদেশের চাহিদা মিটিয়ে মসলিন রপ্তানি করা হতো ইউরোপেও। মসলিন কাপড়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল যে এটি এত সূক্ষ্ম এবং সূক্ষ্ম ছিল যে, চল্লিশ হাত লম্বা এবং দুই হাত প্রশস্ত মসলিন সহজেই একটি সাধারণ রিংয়ের মাধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো যেতে । এমনকি একটি ৫০-মিটার দীর্ঘ মসলিন কাপড় একটি ম্যাচবক্সে প্যাক করা যেতো। তবে কালের বিবর্তনে মসলিন হারিয়ে গেছে বাঙালি এতিহ্য থেকে। এবং এর পেছনেও রয়েছে বেদনা ও স্মৃতিবিজড়িত নৃশংস ইতিহাস।

ভারতে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে উনবিংশ শতাব্দীতে স্থানীয় ভাবে প্রস্তুত করা বস্ত্রের উপর ৭০ হতে ৮০ শতাংশ কর আরোপ করা হয়! যেখানে ব্রিটেনে প্রস্তুত করা আমদানীকৃত কাপড়ের উপরে মাত্র ২ থেকে ৪ শতাংশ কর ছিলো। এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের তাঁতশিল্পে ধ্বস নামে।
উপমহাদেশে বাণিজ্য করতে আসা ইউরোপীয় বণিকরা অতিরিক্ত দামে মসলিন কিনে ইউরোপে রপ্তানি করলেও, ঢাকায় ইউরোপীয় পণ্যের তেমন চাহিদা না থাকায় নগদ স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে মসলিন কিনতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু পলাশীর যুদ্ধে বাংলার নবাব সিরাজ উদদৌলার পতনের পরে, বাংলার শাসক শ্রেণি রাজনৈতিক বিপর্যয়ে পড়ে যায়। তার ফলে, তাদের শক্তি এবং ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। ফলস্বরূপ; অভিজাত ক্রেতাদের হারানোর পাশাপাশি মসলিনের পৃষ্ঠপোষকতাও বন্ধ হতে থাকে। এছাড়াও পলাশীর যুদ্ধের পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং এর নিযুক্ত দেশীয় কর্মীদের উপর অত্যাচার তাঁতিদের অবস্থা আরও শোচনীয় করে তুলে। ব্রিটিশরা ভারতে প্রত্যক্ষ শাসন প্রতিষ্ঠার আগে, ভারতীয় উপমহাদেশটির শ্বাসন কাজ পরিচালনা করতো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মাধ্যমে। কোম্পানিটি ইউরোপে বিশেষত ব্রিটেনে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের উপকারের জন্য বৈষম্যমূলক শুল্ক প্রবর্তন চালু করে। তখন ভারতীয় উপমহাদেশে তৈরি পোশাকের উপর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আদায় করা হতো। অন্যদিকে ব্রিটেনে তৈরি আমদানি করা পোশাকের উপর শুল্ক ছিল মাত্র ২-৪ শতাংশ। যা মসলিনের মতো মূল্যবান বস্ত্রকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছিলো যে, মসলিনের প্রতি আগ্রহ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এরপরে মসলিনের অগ্রগতি পুরোপুরি বন্ধ করতে এবং ব্রিটিশদের নিম্নমানের কাপড়ের সুবিধা প্রদান করতে চাষিদের নীল চাষের জন্য বাধ্য করা হয় এবং মসলিনের উৎপাদন বন্ধ করার জন্য ১৭৬৯ সালের আজকের এইদিনে ব্রিটিশ রাজের নির্দেশে তাঁতিদের হাতের বুড়ো আঙ্গুল কেটে নেওয়ার মতো জঘন্য কাজ শুরু করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
ঢাকা, সোনারগাঁও, ধামরাই, জঙ্গলবাড়ি এবং বাজিতপুর এলাকার যেসব তাঁতিরা মসলিন কাপড় বুনতেন তারা টিকে থাকার স্বার্থে তাদের কাজের ধরণ পাল্টে ফেলেন। যারই ফলস্বরূপ আমরা জামদানী পেয়েছি।
তদুপরি, ইউরোপীয় শিল্প বিপ্লবের স্পর্শ যখন ভারতীয় উপমহাদেশে পৌঁছতে শুরু করলে, মসলিনের পতন তীব্র হতে শুরু করে। ঢাকা মসলিনের শেষ প্রদর্শনীটি ১৮৫০ সালে লন্ডনে হয়েছিল। এর পরে, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মসলিনের উৎপাদন হলেও ঢাকাই মসলিনের মতো গুনে ও মানে শ্রেষ্ঠ প্রকারের মসলিন উৎপাদন করা আজও সম্ভব হয় নি।

✍✍✍

(আর্টিকেলটির টাইটেলে কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্’র মসলিন নিয়ে লেখা কবিতা “হারানো আঙুল”-এর একটি লাইন ব্যবহার করা হয়েছে এবং তথ্যগুলো ড. হামিদা হোসাইন এর ” দ্যা কোম্পানি ওয়েভার্স অব বেঙ্গল” থেকে সংগৃহীত)

বিজ্ঞাপন::

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

লেখক পরিচিতি
✍ তৌহিদুল ইসলাম নুহাশ
✍ তৌহিদুল ইসলাম নুহাশ

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::