1. mr.milonctg@gmail.com : BD CLICK : ✍ BD Click । বিডি ক্লিক
  2. egor9@lotofkning.com : arnulfox25 :
  3. mst.asmactg@gmail.com : Asma : ✍ আসমা উল হুসনা
  4. egor19@lotofkning.com : cecelia13n :
  5. deshernewsbd@gmail.com : Desher News : ✍ দেশর নিউজ
  6. admin@gmail.com : ✍ ইলিয়াস হাওলার : ✍ ইলিয়াস হাওলাদার
  7. mailtonewsface@gmail.com : Hasan Rifat : ✍ মোঃ হাসান রিফাত
  8. stephaniawilla@nestmoon.com : jacquesfzu :
  9. kamrulhasan27272@gmail.com : Kamrul Hasan : ✍ কামরুল হাসান খোকন
  10. mostafizurwm21@gmail.com : Md Mostafizur Rahman : ✍ মোস্তাফিজুর রহমান
  11. bdclickxyz@gmail.com : Milon : ✍ মাহাবুর হাসান মিলন
  12. jannstephany@kogobee.com : mitchellguercio :
  13. cataclysmtheory@gmail.com : Muhammad Shamsul Huq Babu : ✍ মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু
  14. mirzahmn@gmail.com : ✍ মির্জা মুহাম্মদ নূরুন্নবী নূর : ✍ মির্জা মুহাম্মদ নূরুন্নবী নূর
  15. egor3@lotofkning.com : rachellehallock :
  16. Saroarhossen314@gmail.com : ✍ মোঃ সরোয়ার হোসেন : ✍ মোঃ সরোয়ার হোসেন
  17. abantorkahini@gmail.com : Md Shahin Alam : ✍ মোঃ শাহিন আলম
  18. joymahmud89@gmail.com : Shawon : ✍ শাওন
  19. Kbirulmd@gmail.com : ✍ কবিরুল ইসলাম কবির : ✍ কবিরুল ইসলাম কবির
  20. tauhidulislam4524@gmail.com : Tauhidul Islam Nuhash : ✍ তৌহিদুল ইসলাম নুহাশ
  21. topexpressctg@gmail.com : Top Express : ✍ টপ এক্সপ্রেস
✍ BD Click । বিডি ক্লিক
  • ২ মাস আগে
  • ১৮৯
গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও নিরাপদ মাতৃত্ব

মা শুধু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ডাক বা অনুভূতিই নয়, মাতৃত্ব একজন নারীর সবচেয়ে বড় সার্থকতা। কিন্তু একজন নারী যখন প্রথমবার গর্ভধারণ করেন তখন অনেক কিছুই তার অজানা থাকে। তাই সন্তান ধারণ থেকে শুরু করে শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত একজন মা’কে অনেক বিষয়ে সতর্কতা ও সচেতনতা অবলম্বন করতে হয়। চলুন গর্ভবতী মায়ের যত্ন ও নিরাপদ মাতৃত্ব সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

একজন গর্ভবতী মায়ের যথাযথ যত্ন নিশ্চিতে পরিবারের সদস্য ও কাছের মানুষরাই প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু নিজেরও অসতর্ক হলে চলবে না। কারণ মায়ের সুস্থতার উপরে আগত সন্তানের সুস্থতা নির্ভরশীল। শিশু গর্ভে থাকাকালীন তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠিত হয়। তাই এসময় মায়ের খাদ্যের উপর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। মায়ের খাওয়া খাদ্য প্লাসেন্টা’র মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে। তাই মা যা খাচ্ছে সেটি মা-শিশু উভয়ের জন্যই পর্যাপ্ত পুষ্টির জোগান দিচ্ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অন্যদিকে মা যদি অসুস্থ হয় বা যদি কোনো বিষয়ে মানসিকভাবে উদ্বিগ্ন থাকে, সেটিও উভয়ের জন্য সমান ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই গর্ভকালীন একজন মায়ের সমানভাবে শারীরিক ও মানসিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। মানসিক চাপমুক্ত থাকা, ভারী কোন ওজন না নেওয়া, উঁচুনিচু স্থান এড়িয়ে চলা, ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

পরিকল্পিত গর্ভধারণ মা ও শিশু উভয়ের জন্যই অত্যন্ত নিরাপদ। সন্তান ধারণের আগে মায়ের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি শারীরিক পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন। সেইসাথে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সন্তান ধারণের তিনমাস আগ থেকে নিয়মিত ফলিক অ্যাসিডসহ অন্যান্য ওষুধ সেবনের প্রয়োজনও হতে পারে। গর্ভবতী মায়েদের পোশাক নিয়েও সচেতন থাকা উচিৎ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আরামদায়ক, সহজে পরিধানযোগ্য ও ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান এবং সঠিক মাপের নরম জুতা পরা এবং উঁচু বা হিল জুতা পরিহার করাই শ্রেয়।

একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রায় প্রতি মাসেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিৎ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি তথ্য অনুযায়ী, একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে অবশ্যই কমপক্ষে চারবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ। এই চারবার হচ্ছে যথাক্রমে ১৬, ২৮, ৩২ ও ৩৬তম সপ্তাহে। এছাড়া কারও শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

একজন প্রসুতি মায়ের জন্য গর্ভধারণকালীন প্রথম এবং শেষ তিনমাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশু গর্ভে থাকার প্রথম তিন মাসেই তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো পূর্ণ রূপ ধারণ করে। গর্ভাবস্থায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মায়েদের হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পড়ে যায়। কারণ এ সময় গর্ভস্থ শিশুর শরীরে লৌহের চাহিদা মেটানোর পর মায়েদের রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এজন্য গর্ভবতী মাকে এসময় প্রয়োজনীয় ওষুধের পাশাপাশি সবুজ শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। গর্ভে থাকাকালীন শেষ তিন মাস শিশু খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। যে কারণে প্রসূতি মায়ের পায়ে পানি আসতে পারে। এছাড়া শেষ তিন মাসে পেট বড় হয়ে যাওয়ার কারণে গর্ভবতী মায়ের অনেক কষ্ট হয়। এই সময়ে কিছু জটিলতাও দেখা দিতে পারে, যেমন অস্বাভাবিক পেট বড় বা ছোট হওয়া, হঠাৎ রক্ত ভাঙা, খুব বেশি জ্বর আসা, রক্তচাপ অতিরিক্ত বেশি হওয়া। এমন পরিস্থিতিতে অনতিবিলম্বে চিকিৎসককে দেখাতে হবে।

বিশ্বমানের সুবিধাসম্পন্ন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এ মা ও শিশুর জন্য রয়েছে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সর্বাধুনিক সুবিধায় সুসজ্জিত এই হসপিটাল মা ও শিশুর সুসাস্থ্য নিশ্চিতে একটি আস্থাময় স্থান। তাই গর্ভবতী মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্ত পানি ভাঙলে, ব্যথা উঠলে, বাচ্চার নড়াচড়া কমে গেলে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার-এ।

লেখক : ডা: ফারজানা হাসীন (মুক্তি) এমবিবিএস, ডিজিও, এফসিপিএস (গাইনি অ্যান্ড অবস্), এমসিপিএস (গাইনি অ্যান্ড অবস্) সিনিয়র কনসালটেন্ট- অবস্ অ্যান্ড গাইনি, এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম

বিজ্ঞাপন::

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

লেখক পরিচিতি
✍ BD Click । বিডি ক্লিক
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বিডি ক্লিক ২০২০-২০২২ বিডি ক্লিক লেখা হোক উম্মুক্ত। বাংলাদেশের সেরা একটা ব্লগ ওয়েবসাইট মোবাইল- +৮৮০১৯৪২৬২১০২৭ - +৮৮০১৭৪৪৯১২৯১৩ ই-মেইল-bdclickxyz@gmail.com Web-www.bdclick.xyz এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::